ঢাকা,বাংলাদেশ

lutfor@firstaidforhealth.com

দ্রুত যোগাযোগ

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এর কারণ , লক্ষণ ও প্রতিকার

Category Tags


আমবাত কেন হয় আমবাতের কারণ ও চিকিৎসা আর্টিকেরিয়ার চিকিৎসা কান পাকা ড্রপ কান পাকা বা মধ্যকর্ণের প্রদাহ কান পাকা রোগের এন্টিবায়োটিক কান পাকা রোগের ঔষধের নাম কান পাকা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা কান পাকা রোগের ড্রপের নাম কানে পুঁজ হলে করনীয় কানের ড্রপ এর নাম কিডনির পাথর প্রতিরোধের উপায় ও চিকিৎসা কিডনির পাথরের লক্ষণ কোষ্ঠকাঠিন্য কি খেলে ভালো হয় কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ঘরোয়া উপায় ক্ষুধামন্দা কেন হয় খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে করণীয় খাবারে অরুচি হলে করনীয় চর্ম রোগ চর্ম রোগের ঔষধের নাম চর্ম রোগের চিকিৎসা চর্ম রোগের প্রকারভেদ টনসিলাইটিস এর চিকিৎসা পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় পুড়ে গেলে ঘরোয়া চিকিৎসা পোড়া ক্ষত শুকানোর ঔষধ পোড়ার জ্বালা কমানোর উপায় বাত ব্যাথার ঔষধের নাম বাত ব্যাথার চিকিৎসা বাত রোগের কারন বাতের ব্যথার লক্ষণ বিষক্রিয়া কত প্রকার বিষক্রিয়া কাকে বলে বিষক্রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা বিষক্রিয়ার লক্ষণ বিষক্রিয়ার চিকিৎসা ও করণীয় মাসিকের ঔষধের নাম মাসিকের ব্যাথার কারন মাসিকের সময় পেটে ব্যাথার ঔষধ মিনি স্ট্রোক এর লক্ষণ হার্ট এটাক এর কারণ হার্ট এর ঔষধ হার্ট ব্লক হওয়ার লক্ষণ

উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ ও কারণ

হাইপারটেনশন (hypertension), যার আরেক নাম উচ্চ রক্তচাপ, HTN,বা H P N, হল একটি রোগ যখন কোন ব্যক্তির রক্তের চাপ সব সময়েই স্বাভাবিকের চেয়ে ঊর্ধ্বে। হাইপারটেনশনকে প্রাথমিক (আবশ্যিক )হাইপারটেনশন অথবা গৌন হাইপারটেনশনে শ্রেণীভুক্ত করা হয়। প্রায় ৯০-৯৫%ভাগ ক্ষেত্রেই `প্রাথমিক হাইপারটেনশন` বলে চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ রক্তচাপের কোন উল্লেখযোগ্য কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। স্বাভাবিক এর চেয়ে বেশি রক্তচাপ যদি সব সময়ের জন্য থাকে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলে।  

কারণ 

যে সকল কারণ উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে সেগুলো হলঃ 

  • বেশী লবণ গ্রহণ ও মদ্যপান। 
  • অতিরিক্ত মেদ ও পরিবারের আকার। 
  • কাজের চাপ। 
  • অতিরিক্ত আওয়াজ এবং ঘিঞ্জি পরিবেশে থাকা। 

রোগের প্রকারভেদ 

হাইপারটেনশন এর কোন সুনিদৃষ্ট বিন্দু নেই যখন রক্ত চাপ বিবেচনা করা হয় `উচ্চ ` . সাধারণ ভাবে বলা হয়, যদি কোনও একজনের রক্ত চাপ ১৪০/৯০ mmHg অথবা উপরে থাকে (চাপের একটি একক) উভয় বাহুতে,তাহলে তা উচ্চ রক্তচাপ বলা যেতে পারে। 

একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের হিসাবে ১৩৯/৮৯ mmHg রক্ত চাপ থেকে ১২০/৮০ mmHg সজ্ঞায়িত করেছে প্রি-হাইপারটেনশন।  প্রি-হাইপারটেনশন একটি রোগ নয় ,কিন্তু আশঙ্কা করে যে কোন ব্যক্তির উচ্চ রক্তচাপে বিকশিত করার একটি যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। 

ডায়াবেটিস মেলিটাস অথবা কিডনী রোগীদের ক্ষেত্রে গবেষণায় দেখা গেছে, ১৩০/৮০ mmHg র অধিক রক্তচাপে ঝুঁকি হিসাবে বিবেচনা করা উচিত এবং তাড়াতাড়ি চিকিৎসা নেয়া উচিত। 

লক্ষণ ও উপসর্গ (Signs and symptoms)

অনেক সময়ই দেখাযায় উচ্চ রক্তচাপের কোনো উপসর্গ নেই। আবার কিছু উপসর্গ থাকে। যেমনঃ 

মাথা ব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা ও বমি। 

জটিলতাঃ (Complications)

  • ব্রেন স্ট্রোক, হার্ট এট্যাক, চোখে সমস্যা ও কিডনির সমস্যা। 

উচ্চ রক্তচাপের কারণে মূলত চারটি অঙ্গেরই ক্ষতি হতে পারে। 

  • হার্ট – 
  1. বাম নিলয় বড় হয়ে যায়। 
  2. বাম নিলয়ের ফেইলিওর। 
  3. রক্ত সল্পতার জন্য হার্টের রোগ। 
  • রক্ত সংবহন তন্ত্রের আওর্টিক ডিসেকশন এবং আওর্টিক এনিউরিজম 
  • কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্র-
  1. সেরিব্রাল হিমোরেজ/মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ। 
  2. মস্তিষ্কে থ্রম্বোসিস,টি,আই,এ। 
  3. রেটিনার প্রদাহ। 

 চিকিৎসা

উচ্চ রক্তচাপ কমানোর উপায়, সাধারণ ভাবে প্রচলিত ঔষদের মধ্যে রয়েছে –

  • বেটা-ব্লকার,যেমনঃ metoprolol, labetalol, captopril.
  • এ সি ই নিরোধক যেমনঃ lisinopril, quinapril, fosinopril, captopril, enalapril, ramipril.
  • এনজিওটেনটিল রিসিপ্টর ব্লকার,যেমনঃ losartan, valsartan, Irbesartan.
  • ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার,যেমনঃ amlodipine verapamil 
  • ডাইরোটিক, যেমন – chlorthalidone, hydrochlorothiazide.
  • মিশ্র ঔষধ এবং অন্য একটি ঔষধ একত্রে। 
  • আলফা ব্লকার,যেমনঃ terazosin এবং prazosin 

এ ঔষধ গুলোর যেকোনটি সেবন করতে চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *