ঢাকা,বাংলাদেশ

lutfor@firstaidforhealth.com

দ্রুত যোগাযোগ

এপেন্ডিসাইটিস এর কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

Category Tags


আমবাত কেন হয় আমবাতের কারণ ও চিকিৎসা আর্টিকেরিয়ার চিকিৎসা কান পাকা ড্রপ কান পাকা বা মধ্যকর্ণের প্রদাহ কান পাকা রোগের এন্টিবায়োটিক কান পাকা রোগের ঔষধের নাম কান পাকা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা কান পাকা রোগের ড্রপের নাম কানে পুঁজ হলে করনীয় কানের ড্রপ এর নাম কিডনির পাথর প্রতিরোধের উপায় ও চিকিৎসা কিডনির পাথরের লক্ষণ কোষ্ঠকাঠিন্য কি খেলে ভালো হয় কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ঘরোয়া উপায় ক্ষুধামন্দা কেন হয় খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে করণীয় খাবারে অরুচি হলে করনীয় চর্ম রোগ চর্ম রোগের ঔষধের নাম চর্ম রোগের চিকিৎসা চর্ম রোগের প্রকারভেদ টনসিলাইটিস এর চিকিৎসা পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় পুড়ে গেলে ঘরোয়া চিকিৎসা পোড়া ক্ষত শুকানোর ঔষধ পোড়ার জ্বালা কমানোর উপায় বাত ব্যাথার ঔষধের নাম বাত ব্যাথার চিকিৎসা বাত রোগের কারন বাতের ব্যথার লক্ষণ বিষক্রিয়া কত প্রকার বিষক্রিয়া কাকে বলে বিষক্রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা বিষক্রিয়ার লক্ষণ বিষক্রিয়ার চিকিৎসা ও করণীয় মাসিকের ঔষধের নাম মাসিকের ব্যাথার কারন মাসিকের সময় পেটে ব্যাথার ঔষধ মিনি স্ট্রোক এর লক্ষণ হার্ট এটাক এর কারণ হার্ট এর ঔষধ হার্ট ব্লক হওয়ার লক্ষণ

এপেন্ডিসাইটিস এর লক্ষণ কি

এপেন্ডিসাইটিস (Appendicitis) বলতে সাধারণভাবে এপেন্ডিক্সের প্রদাহকে বোঝায়। এপেন্ডিক্সের হচ্ছে ২ থেকে ২০ সে মি দৈর্ঘ্যের নলাকার একটি অঙ্গ। এটি বৃহতন্ত্রের সাথে সংযুক্ত অবস্থায় থাকে। যদি কোন কারণে এপেন্ডিক্সের মধ্যে ইনফেকশন হয়,তথন এটি ফোলে যায় ও প্রদাহ হয়। একেই এপেন্ডিসাইটিস বলে। 

দ্রুত এর চিকিৎসা না করা হলে মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকায় এপেন্ডিসাইটিসকে অত্যন্ত জরুরী অবস্থা হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং অপারেশনের মাধ্যমে দ্রুত অপসারণ করা হয়। এপেন্ডিক্সে কোন কারনে ফেটে গেলে জীবাণু সমগ্র পেটে ছড়িয়ে পরে। এ অবস্থা পেরিটোনাইটিস নামে পরিচিত। এটি অত্যন্ত বিপদ জনক অবস্থা। এ রকম হলে রোগীর মৃত্যু ঝুঁকি থাকে। 

আবার কম ত্রীব্রতার এপেন্ডিসাইটিস আছে যেটা এপেন্ডিসাইটিস রাম্বলিং হিসাবে পরিচিত। তলপেটে হঠাৎ করে ব্যথা উঠলেই সেটা এপেন্ডিক্স এর ব্যথা নাও হতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে,চিকিৎসকের পরামর্শ মত ঔষধ খেলে ভালো হয়। 

কারণ 

এপেন্ডিক্স এর ভেতরে প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত সংখ্যাবৃদ্ধি হয়ে এপেন্ডিক্স ফুলে ওঠে এবং এতে পোজ জমতে থাকে।

দ্রুত চিকিৎসা করা না হলে এই এপেন্ডিক্স ফেটে রোগীর জীবন নাশের সম্ভাবনা থাকে। 

লক্ষণ ও উপসর্গ (Signs and symptoms)

এপেন্ডিসাইটিস হলে নিম্নলিখিত লক্ষণ বা উপসর্গসমূহ দেখাদিতে পারে। 

  • পেটে একটানা ব্যথা হতে পারে। ব্যথা নাভির চারদিকে থেকে শুরু হয় এবং ক্রমশ বাড়তে বাড়তে কিচ্ছুক্ষণের মধ্যেই নাভির নিচের অংশে ডানদিকে সরে যায়। 
  • ক্ষুধামন্দা অর্থাৎ খিদে কমে যেতে পারে। 
  • কাশি বা ঠান্ডায় কাঁপুনি হতে পারে।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া হতে পারে।
  • জ্বর ও শরীরে সাইড পেইন হতে পারে। 

জটিলতা (Complication)

  • গ্যাংগ্রিন বা পচঁন ধরা। 
  • পেরিটোনাইটিস। 
  • এপেন্ডিকুলার লাম্প। 
  • এবসেস।  
  • বাওয়েল অবট্রাকশন। 
  • ওল্ড ইনফেকশন ও মৃত্যু। 

 চিকিৎসা

এপেন্ডিসাইটিস হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। করেন সময় মত চিকিৎসা না করলে এপেন্ডিক্স ছিদ্র হয়ে ইনফেকশন পুরো পেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এবং এতে রোগীর মৃত্যু হতে পারে। 

যেহেতু এপেন্ডিক্স এর সুনিদৃষ্ঠ চিকিৎসা হচ্ছে অপারেশন,তাই দেরি না করাটাই ভালো। অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজন মনে করলে চিকিৎসকেরা অপারেশন না করেও চিকিৎসা করে থাকে। 

দুই ধরনের অপারেশন আছে ;

  1. পেট কেটে অপারেশন।
  2. ল্যাপারোস্কোপ দিয়ে। 

অপারেশন দুইটার মাজে একটাই পার্থক্য তা হল ,পেট কাটলে দাগ থাকবে কিন্তু ল্যাপারোস্কোপ এর মাধমে করলে দাগ থাকবে না। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *