ঢাকা,বাংলাদেশ

lutfor@firstaidforhealth.com

দ্রুত যোগাযোগ

বিষক্রিয়ার চিকিৎসা ও করণীয়

Category Tags


আমবাত কেন হয় আমবাতের কারণ ও চিকিৎসা আর্টিকেরিয়ার চিকিৎসা কান পাকা ড্রপ কান পাকা বা মধ্যকর্ণের প্রদাহ কান পাকা রোগের এন্টিবায়োটিক কান পাকা রোগের ঔষধের নাম কান পাকা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা কান পাকা রোগের ড্রপের নাম কানে পুঁজ হলে করনীয় কানের ড্রপ এর নাম কিডনির পাথর প্রতিরোধের উপায় ও চিকিৎসা কিডনির পাথরের লক্ষণ কোষ্ঠকাঠিন্য কি খেলে ভালো হয় কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ঘরোয়া উপায় ক্ষুধামন্দা কেন হয় খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে করণীয় খাবারে অরুচি হলে করনীয় চর্ম রোগ চর্ম রোগের ঔষধের নাম চর্ম রোগের চিকিৎসা চর্ম রোগের প্রকারভেদ টনসিলাইটিস এর চিকিৎসা পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় পুড়ে গেলে ঘরোয়া চিকিৎসা পোড়া ক্ষত শুকানোর ঔষধ পোড়ার জ্বালা কমানোর উপায় বাত ব্যাথার ঔষধের নাম বাত ব্যাথার চিকিৎসা বাত রোগের কারন বাতের ব্যথার লক্ষণ বিষক্রিয়া কত প্রকার বিষক্রিয়া কাকে বলে বিষক্রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা বিষক্রিয়ার লক্ষণ বিষক্রিয়ার চিকিৎসা ও করণীয় মাসিকের ঔষধের নাম মাসিকের ব্যাথার কারন মাসিকের সময় পেটে ব্যাথার ঔষধ মিনি স্ট্রোক এর লক্ষণ হার্ট এটাক এর কারণ হার্ট এর ঔষধ হার্ট ব্লক হওয়ার লক্ষণ

বিষক্রিয়া এমন একটি পদার্থ যা বালাই নাশক হিসাবে বেবহার করা হয়। কিন্তু এই পদার্থ যদি কেউ ইচ্ছা করে অথবা ভুল বসত খায় ও বিষের কার্য কারিতা শুরু হয় তবে তাকে বিষক্রিয়া বলে। বিষ পানের রুগী, নিশ্চিত হওয়ার পর আর অপেক্ষা করা যাবে না। তারাতারি হাসপাতালে নিতে হবে।  

বিষক্রিয়া একটি বাংলা শব্দ, যা বাংলা ভাষায় “প্রতিক্রিয়া” বা “প্রতিপ্রতিক্রিয়া” অর্থে ব্যবহার হয়। এটি কোনও ঘটনা, স্থিতি বা কার্যক্রমের প্রতি প্রতিক্রিয়া বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। বিষক্রিয়া মানে কোন কাজের উত্তরসূচিবোধন, প্রতিপ্রতিক্রিয়া বা উত্তরপ্রতিক্রিয়া।

উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি কেউকে একটি প্রশ্ন করেন এবং সে প্রশ্নের উত্তর দেয়, তবে সে উত্তর দেওয়া তার বিষক্রিয়া হবে। এটি কোনও প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার একটি উদাহরণ হতে পারে।

বিষক্রিয়ার রোগীর যা করণীয়,

  1. রুগী শাসনিতে না পারলে তাকে কৃত্তিম শ্বাস পরুষস দিতে হবে। 
  2. স্বজ্ঞান রুগীকে সর্বপ্রথম এক গ্লাস পানি বা দুধ পান করানো ভালো। কারন এতে বিষ পাতলা হয়ে যায় ও বিষের খাতির প্রভাব কমে যায়। অজ্ঞান রোগীকে তরল খাবার দেয়া যাবেনা। তাকে সুবিদা জনক স্থানে সোয়াতে হবে। 
  3. রুগীকে বমি করানো যাবেকিনা তা বিবেচনা করতে হবে.কারন সকল রুগীকে বমি করানো যায়না। রুগীর শরীরে খিঁচুনি থাকলে, সঙ্গাহীন অবস্থায় বমি করানো যাবেনা। কিছু বিষ যা প্রবেশের সময় মুখ ,মুখগহ্ববর ও অলমনালীতে প্রদাহের সৃষ্টি করে অথবা ফুসফুসের প্রদাহের সৃষ্টি করে , এতে কখনও বমি করানো যাবেনা।

বিষক্রিয়ার আরও কারন 

বিষক্রিয়া কত প্রকার ও তার তালিকা নিয়ে আলোচনা 

ক ‘পুড়া ও ক্ষত সৃষ্টিকরি বিষ 

   ১ ওল্ম বা এসিড 

   ২ খাঁর বা আলকালি 

   ৩ ঘরে বেবহুদ বিশোধক 

   ৪ গোসলখানা ,পায়খানা , নর্দমা পরিষ্কারক বিশোধক 

খ’ প্রদাহ সৃষ্টিকরি বিষ 

 ১; কেরোসিন 

২; তাঁরপিন তেল 

 ৩; রঙ এবং রং পাত্লাকরন পদার্থ 

 ৪; পেট্রোলিয়াম ও এ জাতীয় পদার্থ

বিষক্রিয়ার লক্ষণ , রুগী কোন ধরনের বিষ পান করেছে তা রুগীর মুখ , মুখগহ্বর ও শ্বাস প্রসাস পরীক্ষা করলে অতি সহজেই অনুমান করা যায়। 

  1. পোড়া ও ক্ষত সৃষ্টিকরি বিষ পানে রুগীর মুখ ও মুখগহ্বরপোড়া ক্ষত বা ফুসকা দেখা যাবে

সময়ের মধ্যে চিকিৎসা: বিষক্রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা  সময়ের মধ্যে করা গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি কোনও বিষক্রিয়া বা প্রতিক্রিয়া দেখেতে পান ও সময়ের মধ্যে বিষক্রিয়ার চিকিৎসা করতে না পারেন, তবে এটি প্রতিক্রিয়ার কাছে হেরে যাবেন।

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *