ঢাকা,বাংলাদেশ

lutfor@firstaidforhealth.com

দ্রুত যোগাযোগ

ফ্লুক্লক্সাসিলিন এর ব্যবহার, কার্যকারিতা

Category Tags


আমবাত কেন হয় আমবাতের কারণ ও চিকিৎসা আর্টিকেরিয়ার চিকিৎসা কান পাকা ড্রপ কান পাকা বা মধ্যকর্ণের প্রদাহ কান পাকা রোগের এন্টিবায়োটিক কান পাকা রোগের ঔষধের নাম কান পাকা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা কান পাকা রোগের ড্রপের নাম কানে পুঁজ হলে করনীয় কানের ড্রপ এর নাম কিডনির পাথর প্রতিরোধের উপায় ও চিকিৎসা কিডনির পাথরের লক্ষণ কোষ্ঠকাঠিন্য কি খেলে ভালো হয় কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ঘরোয়া উপায় ক্ষুধামন্দা কেন হয় খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে করণীয় খাবারে অরুচি হলে করনীয় চর্ম রোগ চর্ম রোগের ঔষধের নাম চর্ম রোগের চিকিৎসা চর্ম রোগের প্রকারভেদ টনসিলাইটিস এর চিকিৎসা পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় পুড়ে গেলে ঘরোয়া চিকিৎসা পোড়া ক্ষত শুকানোর ঔষধ পোড়ার জ্বালা কমানোর উপায় বাত ব্যাথার ঔষধের নাম বাত ব্যাথার চিকিৎসা বাত রোগের কারন বাতের ব্যথার লক্ষণ বিষক্রিয়া কত প্রকার বিষক্রিয়া কাকে বলে বিষক্রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা বিষক্রিয়ার লক্ষণ বিষক্রিয়ার চিকিৎসা ও করণীয় মাসিকের ঔষধের নাম মাসিকের ব্যাথার কারন মাসিকের সময় পেটে ব্যাথার ঔষধ মিনি স্ট্রোক এর লক্ষণ হার্ট এটাক এর কারণ হার্ট এর ঔষধ হার্ট ব্লক হওয়ার লক্ষণ

ফ্লুক্লক্সাসিলিন এর ব্যবহার

ফ্লুক্লক্সাসিলিন একটি ব্যাকটেরিয়া নাশক এন্টিবায়োটিক যা নিম্ন লিখিত গ্রাম-পজিটিভ জীবাণুর বিরুদ্বে কার্যকর। পেনিসিলিনেজ উৎপাদনকারী স্টেফাইলোকক্কাস ওরিয়াস, পেনিসিলিন সংবেদনশীল স্টেফাইলোকক্কাস ওরিয়াস, বিটা হিমোলাইটিস স্টেফাইলোকক্কাস,ডিপলোকক্কাস নিউমোনি ইত্যাদি। ইহা গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাসিলাই,মেথিসিলিন প্রতিরোধী স্টেফাইলোকক্কাস ওরিয়াস,এবং স্টেফাইলোকক্কাস ফেকালিস ইত্যাদির বিরুদ্বে কার্যকরী নয়।

ফ্লুক্লক্সাসিলিন  পাকতন্রে ক্লক্সাসিলিন থেকে দ্বিগুন বেশি শোষিত হয়। পাকস্থলীতে কোন খাদ্যদ্রব্যের উপস্থিতিতে ক্লক্সাসিলিনের শোষণমাত্র হ্রাস পায়। ফ্লুক্লক্সাসিলিন ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরে পেনিসিলিন বাইডিং প্রোটিনের সঙ্গে বাইন্ড করে। ফলে কোষপ্রাচীরের পেপ্টাইডোপ্লাইকেল উপাদান বাধা গ্রস্থ হয়। 

নির্দেশনা 

ফ্লুক্লক্সাসিলিন গ্রাম-পজেটিভ জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণের চিকিৎসায় নির্দেশিত। পেনিসিলিনেজ উৎপাদনক্ষম জীবাণু জনিত সংক্রমণের চিকিৎসায় চিকিৎসায় এটি নির্দেশিত। এ জাতীয় সংক্রমণের মধ্যে রয়েছে :

  • ত্বক ও নরম কোষকলার সংক্ৰমন: ফোঁড়া, পূজাসয়, কার্বাঙ্কল,ফারানকুলোসিস, সেলুসাইটিস,সংক্ৰমিত ক্ষত, সংক্ৰমিত পোড়া ও ত্বকের অন্যান্ন সংক্ৰমন। 
  • শ্বাসনালী,নাক,কান ও গলার সংক্ৰমন: নিউমোনিয়া,ফুসফুসের পূজাসয়, এমপায়েরা,সাইনুসাইটিস,ফ্যারিনজাইটিস,টনসিলাইটিস,ওটাইটিস মিডিয়া ও  অন্যান্ন সংক্ৰমন। 
  • ক্লক্সাসিলিনের প্রতি সংবেশন শীল জীবাণু জনিত অন্যান্ন সংক্ৰমণ : অস্টিওমায়েলাইটিস, মেনিনজাইটিস,এন্টেরাইটিস,এন্ডোকার্ডাইটিস,মূত্রনালির সংক্ৰমন,সেপ্টিসেমিয়া।

মাত্রা ও ব্যাবহার বিধি 

মুখে খাওয়া ঔষধ,খাদ্য গ্রহণের অর্ধ অথবা ১ ঘন্টা আগে খেতে হয়। 

প্রাপ্ত বয়স্কদের : প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণত ২৫০ মি গ্রা, করে প্রতি ৬ ঘন্টা পর পর দিতে হয়।

অথবা সংক্রমণের মাত্রা বেশি হলে এর মাত্রা দ্বিগুন করা যায়। 

শিশু (২-১০ বৎসর ) : প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রার অর্ধেক করে প্রতি ৬ ঘন্টা পর পর দিতে হয়। অথবা সংক্রমণের মাত্রা বেশি হলে এর মাত্রা দ্বিগুন করা যায়। 

শিশু (২ বৎসর এর কম ) : প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রার এক চতুর্থাংশ করে প্রতি ৬ ঘন্টা পর পর দিতে হয়। অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। 

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

অন্যান্ন পেনিসিলিনের মতো অল্পসংখক ক্ষেত্রে বমি,বমিবমি ভাব এবং ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে যা ক্ষণস্থায়ী এবং কখনই গুরুতর হয়না। 

অতিসংবেদনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে ত্বকে লালচে আভা দেখাদিতে পারে এবং সেক্ষেত্রে চিকিৎসা বন্ধ করে দিতে হবে। 

প্রতিনির্দেশনা 

পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিনের প্রতি অতিসংবেদনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে  ফ্লুক্লক্সাসিলিন দেয়া যাবে না। 

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে 

ব্রুনের উপর কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়ার কথা জানা না গেলেও গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে ফ্লুক্লক্সাসিলিন শুধুমাত্র একান্ত প্রয়োজনে

এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *