ঢাকা,বাংলাদেশ

lutfor@firstaidforhealth.com

দ্রুত যোগাযোগ

শরীরে কোন অংশে রক্তক্ষরণ হলে করণীয়

Category Tags


আমবাত কেন হয় আমবাতের কারণ ও চিকিৎসা আর্টিকেরিয়ার চিকিৎসা কান পাকা ড্রপ কান পাকা বা মধ্যকর্ণের প্রদাহ কান পাকা রোগের এন্টিবায়োটিক কান পাকা রোগের ঔষধের নাম কান পাকা রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা কান পাকা রোগের ড্রপের নাম কানে পুঁজ হলে করনীয় কানের ড্রপ এর নাম কিডনির পাথর প্রতিরোধের উপায় ও চিকিৎসা কিডনির পাথরের লক্ষণ কোষ্ঠকাঠিন্য কি খেলে ভালো হয় কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার উপায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ঘরোয়া উপায় ক্ষুধামন্দা কেন হয় খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে করণীয় খাবারে অরুচি হলে করনীয় চর্ম রোগ চর্ম রোগের ঔষধের নাম চর্ম রোগের চিকিৎসা চর্ম রোগের প্রকারভেদ টনসিলাইটিস এর চিকিৎসা পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায় পুড়ে গেলে ঘরোয়া চিকিৎসা পোড়া ক্ষত শুকানোর ঔষধ পোড়ার জ্বালা কমানোর উপায় বাত ব্যাথার ঔষধের নাম বাত ব্যাথার চিকিৎসা বাত রোগের কারন বাতের ব্যথার লক্ষণ বিষক্রিয়া কত প্রকার বিষক্রিয়া কাকে বলে বিষক্রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা বিষক্রিয়ার লক্ষণ বিষক্রিয়ার চিকিৎসা ও করণীয় মাসিকের ঔষধের নাম মাসিকের ব্যাথার কারন মাসিকের সময় পেটে ব্যাথার ঔষধ মিনি স্ট্রোক এর লক্ষণ হার্ট এটাক এর কারণ হার্ট এর ঔষধ হার্ট ব্লক হওয়ার লক্ষণ

 ইন্টারনাল ব্লিডিং কি? রক্ত হলো এক প্রকার তরল পদার্থ। এর রং লাল। হিমোগ্লোবিন নামক লাল রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতিতে রক্তের রং লাল হয়। শরীরের কোন স্থানে আঘাতের ফলে বা কেটে গেলে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয়, এবং সেই ক্ষত হতে যে রক্ত বের হয় তাকে রক্তক্ষরণ বা রক্তপাত বলাহয়। 

রক্তপাত কত প্রকার ও কি কি

রক্তক্ষরণ কয় ধরনের ? ভিবিন্ন ভাবে রক্তক্ষরণ হতে পারে ,যেমনঃ 

ক ) মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ। 

   মুখের ভিতরের যেকোন অংশ থেকে রক্তপাত হলে বরফ চোষতে হবে। তাহলে রক্তক্ষরণ বন্ধ হবে। এরপর রোগীকে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে হবে। 

খ ) নাকদিয়ে রক্তপাত। 

নাক দিয়ে রক্ত আসার কারন কি ও করণীয় 

    আঘাত জনিত বা অন্য কোন কারনে কারো নাকদিয়ে রক্ত পড়তে শুরু করলে তাৎক্ষণিক তাকে চিৎ করে শোয়াতে হবে অথবা বসিয়ে মাথা পিছনের দিকে হেলিয়ে রাখতে হবে। কাপড়চোপড় ডিলা করে দিতে হবে। নাকের সামনে ও ঘরের পিছনে ঠান্ডা কম্প্রেস দিতে হবে। মুখদিয়ে শ্বাসকার্য চালাতে হবে। রক্তক্ষরণ বন্ধ হবার পরও কিছক্ষন নাকের ছিদ্র পথে তুলে দিয়ে রাখতে হবে।  

গ) শরীরের কোনস্থানে কেটে রক্তক্ষরণ। 

    শরীরের কোনস্থানে কেটে রক্তপাত হলে কাটা স্থানটি পরিষ্কার হাত দিয়ে চেপে ধরতে হবে। রক্ত বন্ধ হলে ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে রাখতে হবে। সাধারণত ৩ টি উৎস থেকে রক্তপাত হয়। যথা:

   ১-কৈশিক নালি >একটানা স্রোতের ন্যায় রক্ত বের হয়। 

   ২-শিরা >গল গল  করে রক্ত বের হয়।

   ৩-ধমনী >ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হয়।

দুর্ঘটনায় বেশিরভাগ রক্তপাত হয় কৈশিক নালি থেকে। 

ঘ) কোন বস্তূ ঢুকে রক্তক্ষরণ। 

শরীরের কোনস্থানে কোন বস্তূ ঢুকে রক্তপাত হলে যা করবেনঃ 

     >ক্ষতস্থানের দুই পাশে চেপে ধরুন। তবে ক্ষতস্থানের উপর চাপ দিবেননা। 

     >ক্ষতস্থান ও বস্তুটির ওপর আলতো করে গজ বা কাপড় মুড়িয়ে নিন। 

     >বস্তুটির চারদিকে ক্ষতস্থানের উপর প্যাড ব্যাবহার করে ব্যান্ডেজ বাঁধুন। 

     >ক্ষতস্থান থেকে বস্তুটি তুলে ফেলার চেষ্টা করুন। 

     >হাত বা পায়ের ক্ষেত্রে অঙ্গ উঁচুকরে রাখুন। 

রক্তপাতের প্রাথমিক চিকিৎসা :

রক্তক্ষরণ বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়ার নিম্নে আলোচনা করা হলো 

১)রোগীকে বসানো বা শোয়ানো যায় এমন স্থানে স্থানান্তর করতে হবে। এতে রক্তপাত আপনা আপনি কমেযায়। 

২)যে স্থান হতে রক্তপাত হচ্ছে ,সে স্থান রিদপিন্ডের সমতায় রাখলে রক্তক্ষরণ কমেযায়। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *